বংপেন'এ যন্ত্রনামূলক সমস্ত আই পী এল রিভিউ প্রথম দফায় সামলে নিলেও, দ্বিতীয় দফার মোচড় সামলাতে না পেরে কলকাতা থেকে কবি অরিত্র সান্যাল সাবলীল ভাষায় তার প্রতিবাদ রেজিস্টার করে ফেলেছেন। দ্বিতীয় আই পী এল রিভিউ তা এতটাই বেদনাদায়ক যে তা বংপেন'এর আগের নিম্ন মানের সমস্ত পোস্টকেও জঘন্য'ইজমে শক্ত হাতে শুইয়ে দিয়েছে (কে কে আর'এর সাথে তুলনা করে চালাকি করছি না কিন্তু)! এই বিকট রিভিউ কে চট জলদি উপড়ে ফেলার আকুতি করে আরিত্রবাবু নিজেই একটা আই পী এল মুখী লেখা পাঠিয়ে দিয়ে কাতর ভাবে অনুরোধ করলেন পাবলিক psyche কে ঘষ্টানি থেকে বাঁচাতে যাতে আমি তার লেখাটা সুট করে বংপেন'এ পোস্ট করে দি Damage Control Measure হিসেবে, ভদ্রলোক এতটাই বিব্রত ছিলেন বংপেন'এর আই পী এলের দ্বিতীয় রিভিউ তা নিয়ে যে নিজেই অফার দিয়েছিলেন যে প্রয়োজনে তার লেখাটা আমি নিজের নামেও চালিয়ে নিতে পারি। অতএব, এই রইলো অরিত্র সান্যাল'এর আই পী এল ৩ রিভিউ (তবে এ লেখা নিজের নামে চালানোর সাহস হলো না - Bongpen)
তিন এক্কে তিন
তা এই হলো তিনে তিন...বলতে পারেন আশায় মরে চাষা, সেই। নিয়ম-মাফিক বুদ্ধি ঝেড়ে আই পি এল এর দ্বিতীয় সমালোচনা টা লিখলুম না...নিজেরই লজ্জা হচ্ছে। এতোটা শিশু, এতোটা বোকা-বোকা কি কেউ হতে পারে? বিস্তর ছোবল তাক করে দূর থেকে এক নরকের জমিদার ফোন করেছিলেন হয়ত। তা ভাবলুম, মড়া গাঙ-এ বুঝি এলো বাণ।
কি লিখবো কি লিখবো। আমারে কে কে আর গাল দিবা গো?
প্রস্তুত হয়ে ফোন টি তুল্লুম। কানে গোঁজা অনুপ জালোটার ভক্তিগীতির স্মৃতি। যাকে বলে গালের ভ্যাক্সিন। খোঁচা খোঁচা গাল।।
‘হ্যালো জী। সালাম’।
‘হ্যালো’।
‘সরি। একটু হ্যাল-এ ছিলুম। বিশেষ খারাপ লাগলো, তাই এই সেকন্ড রিভিউ টা ঠিক জমলো না। হয়তো সব থেকে বাজে’।
‘ঠিক। ঠিক। তবে আমি ভাবলুম ভেবে চিন্তে করা’।
‘ক্যাম্নে’?
‘ওই দ্বিতীয় দফার আই পি এল-এও তো ওরা তলেই ছিলো। তাই’।
আমি একটু ঘাড় চুল্কে নিলুম।
‘ইয়ে। সেটা মাথায় ছিলো বটে। ওই একটু ঝলমলিয়ে গেলো ওইসব দেখে’।
তা এই তড়িঘড়ি পোস্টটি কিন্তু একটা আশাবাদ বটে। কে কে আর ভালো করবে এই বার। গুপির দেশে বাঘার দেশে হাত তালি কি হাতের মোয়া? আমরা আছি না? আশাবাদ বা কলেজস্ট্রিটের ভাষায়, উত্তর আশাবাদ। ওই মার্ক্সের মা, বিড়ালের মাটি আর চন্দ্রবিন্দু আঁটা কিছু আস্ত গয়ং-গচ্ছ রাইটার্স। তা এই হলো knight-লাইফ। knight দের দিবা রাত্রির কাব্য।। ময়দানে দিদি। আই মিন জুহি চাওলা। সত্যি একটা বয়সের পর সবাই হয়ত দিদি। আর বয়স পেরলেও কেউ কেউ দাদা ডাক ছাড়তে চান না। যাহ। যা ভাবছেন আমি কিন্তু মোটেও তা বলছি না।
আহা কি আশা। আদর-উপ্পেক্ষিত, পাক্কা কোলকাত্তাইয়া মাঠে দাদা
তিন এক্কে তিন
তা এই হলো তিনে তিন...বলতে পারেন আশায় মরে চাষা, সেই। নিয়ম-মাফিক বুদ্ধি ঝেড়ে আই পি এল এর দ্বিতীয় সমালোচনা টা লিখলুম না...নিজেরই লজ্জা হচ্ছে। এতোটা শিশু, এতোটা বোকা-বোকা কি কেউ হতে পারে? বিস্তর ছোবল তাক করে দূর থেকে এক নরকের জমিদার ফোন করেছিলেন হয়ত। তা ভাবলুম, মড়া গাঙ-এ বুঝি এলো বাণ।
কি লিখবো কি লিখবো। আমারে কে কে আর গাল দিবা গো?
প্রস্তুত হয়ে ফোন টি তুল্লুম। কানে গোঁজা অনুপ জালোটার ভক্তিগীতির স্মৃতি। যাকে বলে গালের ভ্যাক্সিন। খোঁচা খোঁচা গাল।।
‘হ্যালো জী। সালাম’।
‘হ্যালো’।
‘সরি। একটু হ্যাল-এ ছিলুম। বিশেষ খারাপ লাগলো, তাই এই সেকন্ড রিভিউ টা ঠিক জমলো না। হয়তো সব থেকে বাজে’।
‘ঠিক। ঠিক। তবে আমি ভাবলুম ভেবে চিন্তে করা’।
‘ক্যাম্নে’?
‘ওই দ্বিতীয় দফার আই পি এল-এও তো ওরা তলেই ছিলো। তাই’।
আমি একটু ঘাড় চুল্কে নিলুম।
‘ইয়ে। সেটা মাথায় ছিলো বটে। ওই একটু ঝলমলিয়ে গেলো ওইসব দেখে’।
তা এই তড়িঘড়ি পোস্টটি কিন্তু একটা আশাবাদ বটে। কে কে আর ভালো করবে এই বার। গুপির দেশে বাঘার দেশে হাত তালি কি হাতের মোয়া? আমরা আছি না? আশাবাদ বা কলেজস্ট্রিটের ভাষায়, উত্তর আশাবাদ। ওই মার্ক্সের মা, বিড়ালের মাটি আর চন্দ্রবিন্দু আঁটা কিছু আস্ত গয়ং-গচ্ছ রাইটার্স। তা এই হলো knight-লাইফ। knight দের দিবা রাত্রির কাব্য।। ময়দানে দিদি। আই মিন জুহি চাওলা। সত্যি একটা বয়সের পর সবাই হয়ত দিদি। আর বয়স পেরলেও কেউ কেউ দাদা ডাক ছাড়তে চান না। যাহ। যা ভাবছেন আমি কিন্তু মোটেও তা বলছি না।
আহা কি আশা। আদর-উপ্পেক্ষিত, পাক্কা কোলকাত্তাইয়া মাঠে দাদা
No comments:
Post a Comment