Sunday, October 30, 2011

বন্ধু-ব্যঞ্জন

বন্ধুরাই সর্বনাশের কারণআমার যাবতীয় বদগুণের উত্‍স হল আমারই কোনও এক প্রাণের বন্ধু। অতএব একটি বন্ধুও যদি আমার না থাকত, তাহলে আমার মধ্যে ভেজা তুলসী পাতার চেয়েও বেশি ক্লোরোফিল থাকতো।
বন্ধুরা এতদিনে কি কি সর্বনাশা অভ্যাস আমার মধ্যে ইনজেক্ট করেছে?
- হ্যাংলা হাঙরের মত খাওয়া
- বিকট হাসি
- চিত্‍কার
-মারামারি,হাতাহাতি
- মেয়ে পরিমাপ করা
- পরীক্ষার হলে চোতা বিদ্যা
- সিগারেট
- রাত জাগা আড্ডা
- আঁত্‍লামো
- গালাগালির শ্রেণীবিন্যাস
- তর্ক
- পানুলিপি/পানুচিত্র/পানুচলচিত্র
- ঝগড়া
- হূইস্কি
- আলস্য


এবং
- স্নেহ, অপত্য স্নেহ, শর্তহীন-ভরসা-মাখানো,জান-প্রাণ-পণ রাখা স্নেহ।
শালাগুলো না থাকলে হয়তো আমারই থাকা হতো না

Friday, October 28, 2011

আড্ডা-পাঁচালি


বাঙালির হাড়ে-হাড়ে কেলো-কালোয়াতি
কর্মেতে নাই মন, আড্ডাতে মতি
বাসে-ক্লাসে-ফুটপাতে-প্রেমিকার কোলে
বাঙালির ঘুম ভাঙ্গে আড্ডার বোলে

আড্ডার কত রং, কত গুণ গুনি
তাই দিয়ে দীন-মনে রচি ফাল্গুনী
এইখনে প্রচারিনু আড্ডার স্তর
বাঙালি কেমনে তার করেছে কদর
আড্ডার বচপন স্কুলের টিফিনে
কার পানে চোখ টিপি মন নেয় চিনে
এরপরে আড্ডায় ফাঁকি টিউশানী
লসাগুটা নাই থাক,আছে গুলতানি
রবিবারে সেলুনেতে জমে অতি ভীড়
আনন্দলোক সাথে আড্ডাটা ক্ষীর
মণ্ডপ-অঞ্জলি-ঘোর বারোয়ারী
আড্ডায় আড্ডায় নীল পাড়-শাড়ি
ষোলোর স্পর্শে জাগে মনেতে নরক
ঘরেতে প্রবাসী,তাই জীবনটা রক
কলেজের ক্লাস ফাঁকা,একা প্রফেসর
ক্যান্টিনে ধুমধাম আলো এক-ঘর
এরপরে আড্ডা পশ্চাতে পাঁকা
আঁতেলের ঝুলি হাতে কফি-হাউস ঢোকা
কুরোসাওয়া নাই বুঝি, ডেভিড ধাওয়ান
কফি হাউসেতে আমি ব্রেন-পালোয়ান
আড্ডা সুখের হয় হুইস্কির গুণে
বন্ধু ও মাল নিন সাবধানে চিনে
লোকালেতে-মিনি বাসে রাধিকা ঝুলন
ট্রেন দোলে,দোল খায় আড্ডা-মনন
বর্ষার সন্ধ্যেরা তেলেভাজা জানে
আড্ডারা ডানা ম্যালে ফুলুড়ির টানে
গানমাখা আড্ডারা, আড্ডার গান
আড্ডার জলে রোজ শালিকের স্নান
আড্ডার ডাল মাখা আড্ডার ভাতে
বাঙালির বাওয়ালি থাক দূধে-ভাতে

Thursday, October 27, 2011

ভাষা-বোমা

গত কুড়ি বছর ধরে মেজো-পিসিদের বাড়িতে রামখিলান গোয়ালা দূধ দিয়ে চলেছেযখনই পিসির বাড়ি যাই,রামখিলানের দূধ দিতে আসবার সময় বাড়ি থাকার চেষ্টা করি; তার মূল কারণ হলো রামখিলান আর আর আমার মেজোপিসির'র কথোপকথন। বিহার থেকে ৩৭ বছর আগে এসেও, এখনো রামখিলান বাংলা ভাষার মার-প্যাঁচ কব্জা করতে পারেনি। । আর তার সাথে আমার পিসির হিন্দী মিলে যে আণবিক-ককটেল তৈরি হয়, তা অনাবিল। যাবতীয় গরমিল সত্ত্বেও মেজোপিসি নিজের হিন্দী এবং রামখিলান নিজের বাংলা ছেড়ে এক চুল নড়বেনা। ফলশ্রুতি? ভাষাগত হিরোশিমা, দৈনিক

পিসি- আরে বাবা রামখিলান, কতবার বলা হ্যায় সকাল সাড়ে আট'টার পেহেলে দূধ দিয়ে জানেকা,অথচ তুমি রোজ নটা কর দেগা, অসুবিস্থা হোতা হ্যায় না বাবা!
রামখিলান- মায়জি, আমার ভাইস ভারী দুষ্ট আছেক। সোকাল বেলাতে দুধ না দিবে। দের করবেইছে রোজ রোজ
পিসি-খালি খালি মিছে কথা কিউ বোলতা হে বাবা রামখিলন।
রামখিলান-রাম, রাম, হনুমানজির কসম মায়জি, হামি ঝুট নাহি বলতে।
পিসি-হনুমানজির নামে মিথ্যা? হ্যাঁ? কেয়া দু:সাহস? কান খুলে সুন লো, কাল সে সাড়ে আট বাজনেসে পেহেলে দুধ দিয়ে জয়েগা, নাহি তো আমরা মাদার ডেয়ারী খায়েগা, সমঝা?
রামখিলান- সমঝা মায়েজি।
পিসি-কি সমঝা ?
রামখিলান- কাল সে সাড়ে আটের আগে আমি দূধ লাইবে
পিসি-হ্যাঁ, ইয়াদ থাকে যেন। আউর এক বাত, তুম বাংলা না বলতে পারতা হে তো জগা-খিচুড়ি বাংলা কিউ বোলতা হে? হামকো একদম পছন্দ নেহী ওই জগা-খিচুড়ি বাংলা, নাহি পারতা তো হিন্দুস্থানী ভাষাতেই বোলনা, আমি সমঝতা হে
রামখিলান- হে হে হে হে হে
পিসি- রাবণ কে মাফিক হাসতা কিউ হে? হে?
রামখিলান- হে হে হে!

Thursday, October 20, 2011

জন্মদিন




আঠাশ,
পাঁচ বছরের প্রাণের বন্ধু বিল্টা এখন বেপাত্তা
সাত বছরের হাঁটুর চোটের স্টীচের দাগ এখন বেমালুম শুকনো
দশ বছরের চাঁদের পাহাড় এখন মলাট-ধর্ষিত হয়ে ঘরের কোনো কোণে রগরাচ্ছে।
এগারো বছরের অঙ্কে ফেল এখন মুচমুচে ফুর্তি-স্মৃতি।
পনেরোর প্রেম সতেরো-বার কবরে ঢুকেছে।
ষোলোর বন্ধুত্ব এখনো কনক্রীট।


সতেরোর সিগারেট ফুসফুসে আলতো চিমটি কেটে সরে পড়েছে।
উনিশের কফি হাউস এখন ডিস্টিল্ড আঁত্‍লামো।
একুশের পরীক্ষামূলক চুমুক এখন পরিশীলিত হূইস্কি।
তেইশের পরিচয় এখনো সংসারী অভ্যেস।
চব্বিশের ইন্টারভিউ এখন চাল-ডাল-তেল-নুন।
আঠাশ; তিরিশ ক্রমশ সত্যি বলে হচ্ছে।

তবু! ফেলুদা, শঙ্কর-আলভারেজ, সুমনের গান, সৌরভ-গাঙ্গুলীও পাগলামি, পুরনো চিঠি-পত্র; শরীরে ভেতর কৈশোর ধরে রাখবে আজীবন।অন্তত এই বিশ্বাসটা থাক।
আর যতদিন, জন্মদিনে মার রান্না পায়েসের বাটি মুখের সামনে এগিয়ে আসবে; বয়সের পিতামহর ক্ষমতা নেই আমার থেকে আমার শৈশব কেড়ে নেয়।


"La La Lalla To Me, La La Lalla To Me, La La Lalla, La La Lalla, La La Lalla To Me"

Saturday, October 15, 2011

ওয়াক-থু: কালচার



বাঙালিকে অফিস-মুখি করে তোলা চাট্টি-খানি কোথা নয় স্যারওসব ওয়ার্ক-কালচার বলে ওয়াক তুলে বাঙালিকে ভূলিয়ে কাজ করবেন, এমন ন্যালা-ক্যাবলা বাঙালি নয়।রক্তে কমিউনিজ্ম আর তৃণমূলীজ্ম এককেবারে ককটেল মেরে আছে মশাই, বেমক্কা যদি কাজ কাজ করে বাঙালি লাফাতে শুরু করে, তাহলে আর রাইটার্সএর ইজ্জত কে বাঁচাবে
? চার্ণকের ভূত?
আর আমিও বলিহারি যাই, আরে মশাই মারওয়ারীর খুচরো গোনার মত সেকণ্ড গুণে কি আর বাঙালি অফিস পৌছতে পারে? দূর-ধুর। সকাল বেলা যদি যত্ন করে চা-থিন এরারুটের সাথে খবরের কাগজটা ঘন্টা দুই ধরে না চটকাতে পারি,তাহলে পোলিটিক্সের পটি বুঝবো কি করে? বাম হলে আজকাল, তৃণ হলে বর্তমান, কাঁঠালি কলা হলে আনন্দবাজার; যেটাই হোক, খবরের কাগজ দৈনিক নটা পর্যন্ত হজম না করলে, ইন্টেলেক্ট পুষ্ট হবে কি করে? আর ইন্টেলেক্টই যদি মাএর ভোগে মেরে দি, তাহলে আমি আর বাঙালি কোথায় মশাই।! এরপর ধরুন বড়-বাথরুমে ঢুকতেই যারা বেরোবার জন্যে তাড়া লাগায় তাদের ইয়েতে আমার হুড়কো দিতে ইচ্ছে করে। কত হাজার কিলো ইসবগুল যে বাঙালীকে মর্নিং-ষ্টেডি করতে কনজিউম হয়ে যে জানেবড় জাগায় বড় ধরনের মন-সংযোগ না রাখতে পারলে ডেফিনীট ক্রাইসিস
এরপর ধরুন জলখাবার। সাহেবী কেতায় কর্ণফ্লেক্স চর্বনে তৃপ্তি পাবো বা একটুকরো মাখনিতো পাউ-রুটি নিয়ে আদিখ্যেতা করে অফিস বেরোবো, এমন আহাম্মক নইজলখাবারে পরোটা অব্লিক লুচি অব্লিক রাধা-বল্লভী, সঙ্গে একটি ভাজা একটি তরকারী এবং পরিশেষে একটি সন্দেশ অব্লিক জিলিপি অব্লিক চমচম। জলখাবারের ব্যবস্থাপনাটি তো আর অবহেলে গিলে ফ্যাল যায় না,তরিজুত করে হজম করতে সময় লাগে, রবীন্দ্রসঙ্গীত লাগে; সবে মিলে শান্ত-সময় লাগে।
এরপর রয়েছে প্রাত্যহিক গৃহকর্ম, এসব মিলে কার ক্ষমতা বেলা দশটার আগে বাড়ি থেকে বেরোয়? তারপর কোলকাতার ট্র্যাফিক আপনাকে কচলাবে।আরে মশায়, ভদ্দরলোকে পারে বেলা এগারোটার আগে অফিস পৌছতে?
আমার আবার ট্রাম-বাস ঠেলে অফিস পৌছিয়েই কাজে ঝাপ দিলে মাথা ঘোরায়আধ-ঘন্টা গপ্প আড্ডা, একটু চা, দুটো সিগারেট তবে না মনে হবে যে হ্যাঁ অফিস পৌছেছিসাড়ে এগারটায় অবশেষে ধীর চিত্তে কাজ শুরু করতে গিয়ে ফাইল টেনে নেবোআসলে তাড়াহুড়ো করলেই বাঙালি গুলিয়ে ফ্যালে, তাই বলি বেশি তাড়াহুড়ো করা পাপঠিক যেমন দুটোয় টিফিন বলতে আপনি ঠীক কাঁটায়-কাঁটায় দুটো বাজলেই টিফিন খুলে গপা-গপ ভাত-ডাল গিলবেন, এ আবার কেমনতর সাস্থ্য বিরুদ্ধ কথাপৌনে একটা থেকে মন কে তৈয়ার করতে হয়ে দুপুরের খাওয়ার জন্যে; এই একটু হাঁটা-চলা করে পাকস্থলীটাকে একটু জারিয়ে নেওয়া আর কিআরে বাবা কাজ তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না, কিন্তু এই বয়েসে যদি হুড়মুর করে খাওয়ার খাওয়া অভ্যেস হয়, তাহলে তো হজম-শক্তির বারোটা বেজে যাবে অকালে
ধীরে-সুস্থে ভাত-টিফিন গলধ:করণ করে, চেয়ারে একটু গা না এলিয়ে কি উপায় আছে? এই একটি ব্যপারেই বাঙালির একটু স্প্যানীশ শৌখিনতা রয়েছে, Siestaএকটু ভাত-ঘুম না দিলে, সন্ধ্যে হতে না হতেই মাথা ধরবে, ধরবেইকথায় বলে হেল্থ ইস ওয়েল্থঅবিশ্যি, সামান্য ভূড়ি থাকাটাও স্বাস্থেরই লক্ষণ
বেলা তিনটের পড়ে গা-ঝাড়া দিয়ে উঠে, এক কাপ চা খেয়ে আবার না হয় কাজে লেগে পড়া যাবে। তবে হ্যাঁ, কাজ-টাজ না হয় হল, তাই বলে কি পাঁচটায় ছুটি বলে পাঁচটাতেই বেরবো নাই? বেলা ৪টে-সাড়ে ৪টের মধ্যে না বেরোতে পারলে তো মারা পড়তে হবে! কৃপাসিন্ধু পাড়ি দেওয়া সহজ, কিন্তু বড়বাজারের সন্ধ্যে বেলার ট্র্যাফিক পেরোতে খোদ হরিও পারবেন না
তাই বলি, অত ওয়ার্ক-কালচার-ফালচার বা কর্ম-সংস্কৃতি-মৃতি ফলাতে যাবেন না, বাঙালিকে শান্তিতে বাঙালি থাকতে দিন।

পরিশিষ্ট:


Thursday, October 13, 2011

কফি-শপের হাসিয়ে



সিমলার মল-রোড ধরে হাঁটতে হাঁটতে, চড়াই-উতরাই মেপে নিতে নিতে টুক-টাক খিদে পেতেই থাকবেএমত অবস্থায় বেদম-হারে মোমো-চাউমিন-সিজলার হজম করে যখন একটু মিষ্টি মুখ করব ভাবছি, এমন সময় নজরে এলো এমব্যাসি নামে একটি খাদ্য-বিহারবাইরে থেকে অতি মনোরম চেহারাভেতরে কাঁচে ঘেরা বসবার জায়গাটিও বেশ মনোরম, বসলেই বেশ অর্ধেক সিমলার বসতি চোখের সামনে জুড়ে বসে
এসব দেখে ঢুকে পড়লাম এমব্যাসিতে আর একটা চেয়ার টেনে যাবতীয় আলস্য মেলে দিয়ে বসে পড়লাম এবং একটা চকোলেট কেক আর এক টুকরো আপেলের পাই অর্ডার দিয়ে দিলামএ খাদ্যালয়টি এক দিকে বিচিত্রস্থান নেহাত স্বল্প বলা চলে না কিন্তু এখানের মালিক তথা ম্যানেজার তথা রাঁধূনি তথা ওয়েটার একজনই

; শ্রী মালহোত্রামাঝ বয়েসী ভদ্রলোক, মুখে সর্বক্ষণ হাসি লেগে রয়েছে এবং এর দিকে তাকালেই মনে হবে যে এনার প্রাণে আনন্দ যেন ধরছে নাকেক শেষ করে যখন কফির অর্ডার করলাম তখন ওনার এত আনন্দ হল যেন লাখ-টাকার কোনও কথা বলে ফেলেছিআর যে প্রবল উত্‍সাহে উনি নিজের হাতে কফি বানিয়ে এনে আমার পাশে বসলেন, এবং এক গাল হেসে সুধোলেন যে কফি টা কেমন হয়েছে,যে প্রশ্ন করতেই হল


-মাল্হোত্রাবাবু, আপনি বেশ আমুদে দেখছি, নিজের কাজ খুব ভালোবসেন আপনি, তাই না?’
-আলবাত ভালবাসি, এ আমার নিজের এলাকা,নিজের পছন্দ মত রাঁধি, চিত্কার করি, গান গাই, যাকে খুশি খাওয়াই প্রাণ ভরে, এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে?’
-বটেই তো, তবে কি না, আজকাল আত্ম-তৃপ্ত ব্যক্তি তো বিশেষ দ্যাখা যায় না...’, আমতা আমতা করে বলতে হল আমাকে।
-কেন বলুন তো এমনটা হয়? কারণ আমাদের কেতাবী শিক্ষা আমাদের ধমনীতে আস্তে আস্তে মরফিয়া ঠুসে আমাদের জ্যান্ত লাশ বানিয়ে ফ্যালে মিস্টার মুখার্জী
এরপর যে দুটো কথা মাল্হোত্রা-বাবু বললেন, সেই কথা দুটি Quote করতেই এই পোস্ট। ভদ্রলোক কথা দুটি ইংরিজিতে বলেছিলেন, ইচ্ছে করেই অনুবাদ করছি না;
-Mr.Mukherjee, have you ever felt exhilarated to see an isolated star in the sky? Or have you ever felt like bursting with happiness on hearing the cry of a jungle bird returning to its nest at the night? No? That’s because your Education has killed you from inside, you are probably dead inside if you cannot cry like a child at the sight of a leaf smeared with morning dew. Only an Educated man seeks reason to be happy. But Mr.Mukherjee, I’ll be honest, even I have my sadness to live with”
-“Really? And what makes you sad?”
-“What makes me sad?”, এই প্রথম দেখলাম মাল্হোত্রা-বাবুর হাসিতে ঈষত বিমর্ষ-রঙ যোগ হল, Mr.Mukherjee, I feel sad, when I realize that at the end of it all, I belong to a specie, that worships the heaven that it has not seen, and destroys the earth that it lives in. Have a good day Sir”, এটুকু বলে ভদ্রলোক আমার কফি-শেষ হওয়া কাপটা উঠিয়ে, টেবিল সাফ করে চলে গেলেন।

পরিশিষ্ট:
এমব্যাসি'তে এরকম বহু হাতে লেখা পোস্টার দেখতে পাওয়া যাবে: