Tuesday, January 8, 2013

কুছ পরোয়া নহী

দেখুন স্যার, পরোয়া করি না

অম্বল? গলা জ্বালা ? পুদিন-হরার বড়ি মুখে ফেলে ফিরতি ফুচকা নেবো
মিনি-বাসে সহযাত্রীর কনুইয়ের গুঁতো ? পাল্টা সিন-বোনে ঠুকনি চালাবো
বসের হুমকিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত ? ছো:, আড়াই পেগে নিজেকে চুবিয়ে নেবো।
বেশি মিষ্টিতে গা-গুলুনি? বেগুনীর তৈল-ব্রেক নিয়ে জ্বিভে তড়কা আনবো।
ইস্টবেঙ্গলের বেদম হার? মোহনবাগানকে দু-দ্দার খিস্তি মেরে আরাম পাবো।
করিনার কোমর মাপা দ্বির্ঘশ্বাস?বালিশ জাপটে-বটতলা হাঁকড়ে নিপাত যাবো।
স্কচ বাগাতে পকেট নিরবিলি ?বাংলা গলায় ঢেলে জয়-প্রলিটারিয়াট বলে লটকে থাকবো।

সীমান্তে ওরা আমাদের মুণ্ডু কেটে নিয়ে যায়? কুছ পরোয়া নাহি স্যার, পরের টি-টুয়েন্টি ম্যাচটা জিতে বদলা নিয়ে নেবো।  

Monday, January 7, 2013

ট্রাম -দুর্ঘটনা


গড়িয়াহাট থেকে চটপট উঠে পড়লাম ট্রামে। টিপ-টিপ বৃষ্টি এড়িয়ে রাসবিহারীর ওদিকে চলে যাবো সহজেবেদম ভীড়ফুটবোর্ড ছাড়িয়ে কোনও মতে দু পা এগিয়েই দাঁড়িয়ে থাকতে হলো। ক্ষতি নেই। কয় মিনিটের ব্যাপার। হ্যান্ডেল আঁকড়ে গৌরাঙ্গ হয়ে দু-তিন মিনিট। কী আর ক্ষতি।

গায়ে চেপ্টে কলকাতার রকমারি ঘাম। ঘাম-গন্ধ বিচার করে কি শার্লক জনৈকের মুদ্রাদোষ চিনতে পারতেন ? বোধ হয় না, লন্ডনে কি আর এমন প্যাচ-প্যাচে ঘামের হিসেব আছে ছাইআমি ঘাড় নাড়তে পারছি না কিন্তু একজন জেলি-লজেন্স বিক্রেতা ভীড় ম্যানেজ করে সুড়সুর করে ভেতরে চলে গেলেন

শুধু ঘামের গন্ধ নয়, ভালো করে নাক-ফোকাস করলে অনেক নাসিক-রসদ জুটে যায়; ট্রামের নিজেস্ব গন্ধ, সহযাত্রীর ব্যাগ-বন্দী কাগজের ঠোঙ্গা আর তেলেভাজা মেশানো গন্ধ, নারকোল তেলে চুপচুপ তেলের গন্ধ। অলফ্যাক্টরি সেল্স্সয়ের এমন জিম আর হয় না।

তারপর রয়েছে শব্দ-বাহার। খোকার কান্না, কন্ডাক্টরের হাঁক, রাস্তার হই-রই, ট্র্যামের ঘ্যাংচ-ঘোচ, “দাদা একটু সাইড দেখি নাববো”-গোছের রিকুয়েস্ট, “ঠ্যাং সামলে মশাই” টাইপ হুমকি; কল্পতরু অব ইয়ার-ড্রামস।

স্পর্শ ব্যাপারটাতেও একটু মন দেওয়া দরকার বলে মনে হলো, সেটা অবজার্ভ করতে করতেই আসা করি সময় কেটে যাবে। সহযাত্রীর কনুই, কোমর, নিতম্ব, পিঠ ও ঠ্যাং; সবই ভীষণ ভাবে সহজ-মনা এবং স্বেচ্ছাচারী। সমস্ত ট্রাম-যাত্রীই সে সুবাদে সামগ্রিক ভাবে একটি সায়ামিজ-দঙ্গল মাত্র।
স্পর্শ শব্দটা অতি-নমনীয়, বলা ভালো চটকানি; নাগরিক চটকানিসবে এমন চমত্‍কর সব স্পর্শ-মুখী বড় বড় কথা ভাবছি এমন সময় স্পষ্ট টের পেলাম যে আমার পিছনের পকেট কেউ সযত্নে হাতড়ে চলেছে

“এইই শালা কে বে পকেটে হাত দেয়?” বলে চিত্কার জোড়ার আগেই হাওয়া, আমার  মানি-ব্যাগ ছু-মন্তর

সবে বিলাপ-প্ল্যান ফাইনালাইজ করছি এমন সময় হাড়-হিম করে দেওয়া চমক। ফের পকেট হাতড়ানি এবং রক্ত-জল হয়ে গ্যালো যখন বুঝতে পারলাম যে আমার মানি-ব্যাগ আমার পকেটে ফেরত এসেছে। আমার মানিব্যাগে কি আর-ডি-এক্স প্ল্যাণ্ট করলে কেউ ? এটা কি পৃথিবীতে প্রথম এমন ঘটনা ? গিনেসকে বললে বিশ্বাস করবে ?

বিশেষ ভাবনা চিন্তা করতে পারলাম না। গন্তব্যে পৌছে গেছিলো ট্রাম। তড়িঘড়ি নামতে হলো। নামার মুখেই কে যেন কানে ফিসফিস করে বললে “শুয়োরের বাচ্চা, বোলচাল বাতেলা-বাজের আর পকেটে তেরো টাকা ? লে, দু টাকা আমার তরফ থেকে টিপ্স”! 

রাস্তায় নেমেই স্যাট করে মুখ ঘোরালাম, অবশ্যই মালুম করতে পারলাম না কে বললে।

মানিব্যাগ খুলে দেখলাম, হাতে গরম পনেরো টাকা।কি সুপার-লজ্জা। ভদ্রলোকের কাছে একবারটি যদি এপোলোযাইজ করতে পারতাম।   

Sunday, January 6, 2013

চা'য়ের চাওয়া

বোলপুর যাওয়ার পথে। ইলামবাজারের কাছাকাছিই হবে। রাস্তার ধারের একটা ছোট্ট চায়ের দোকান। সেখানেই থামলেন এক সুডৌল চার-মাথার পরিবার; পিতৃদেব, মা, বেটার-হাফ আর ব্যাজার-হাফ। পরিবারটি চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে চায়ের অর্ডার দিয়েই নিজেদের শর্তগুলো শুনিয়ে গেলেন।

পিতৃদেব বললেন যে তার চা যেন চিনামাটির কাপেই আসে। পেয়ালা-মেজাজ বিনে চা-পান বৃথা।
মা অমনি বললেন, হাজার মুখের এঁটো কাপ যেন তাকে না দেওয়া হয়, প্লাস্টিকের কাপ ছাড়া তিনি চা গ্রহণ করবেন না।
ঝকঝকে বেটার-হাফ পুত্রবধুটি  কুই করে কইলেন যে এঁটো কাপ তো চলবেই না, এমনকী প্লাস্টিকও নাকি যথেষ্ট প্রো-প্রকৃতি নয়, অতএব তাকে যেন কাগজের কাপে চা দেওয়া হয়।
ব্যাজার-হাফ পুত্র সোজাসুজি জানালেন যে মাটির ভাঁড় বিনে নাকি রাস্তার চায়ের স্বাদ ঘনীভূত আদৌ হয় না।

চা-দোকানি সমস্ত শুনে গম্ভীর থেকে গম্ভীরতর হয়ে পড়লেন। এবং স্পষ্ট সুরে জানালেন, “ আমার কাছে শুধু কাঁচের গেলাস রয়েছে, পছন্দ হলে খাবেন, নয়ত আসুন

পিতৃদেব অমনি জানালেন যে কাঁচ ইস প্রায় ইকুয়াল টু চিনামাটি, অতএব তার চলবে।
মা জানালেন কাঁচ থেকে এঁটো সহজে ধুয়ে যায়। কাজেই তার আপত্তি নেই।
পুত্র-বধু নিশ্চিত সুরে বললেন যে কাঁচের গেলাস সম্পূর্ণ ভাবে প্রকৃতি প্রেমী।
পুত্র মাথা চূলকে জানালেন যে মাটির ভাঁড়য়ে চায়ের স্বাদ জমে ঠিক, তবে সেটা জ্যানুয়ারী টু অক্টোবর। নভেম্বের-ডিসেম্বরের ওয়েদারে নাকি কাঁচের গেলাসই চায়ের স্বাদ ডেভেলপ করার জন্যে বেশি স্যুইটেবল।

অতএব, চার কাপ চায়ের অর্ডার সপাট পড়ে গ্যালো, এলং উইথ ওয়ান লেড়ো পার হেড।   


Friday, January 4, 2013

আসুন, ঢেকে ফেলি

আমরা ভারতীয়জিনিষ-পত্তর আমরা সযত্নে ঢেকে রাখি; আগলে রাখি; চির-নতুন করে রাখি।

আমরা ফ্রিজ ঢাকি কভারে; ওয়াশিং মেশিন, এমন কী মাইক্রোওয়েভ যন্ত্র ঢেকে রাখি নরম কাপড়ে। আহা দামি জিনিষ সমস্ত, যেন ধুলো না বসে গায়ে
ডাইনিং টেবিলের গায়ে পাতা বাহারি টেবিল ক্লথ এবং সেই বাহারি ক্লথ বাঁচাতে তার ওপর পাতা স্বচ্ছ প্লাস্টিক মোড়ক।
নতুন মোবাইল ? স্ক্রীন-গার্ড আঁচড় বাঁচতে, ব্যাক-কভার মোবাইলের রঙ বাঁচাতে।
ট্যাবলেটও একই কেস। এবং আমরা মোবাইল-কভারেও গ্যারেন্টি খুঁজি।
বইয়ের মলাট থেকে ল্যামিনেট করা ড্রাইভিং লাইসেন্স; ঢেকে রাখা মানে আদরে থাকা; ভালো থাকা।

**

আমদের মিসাইল-সিদ্ধিলাভের দেশে, গনতন্ত্রের পীঠস্থানে, জওয়ান-কিষান-বিজ্ঞানের স্বপ্নলোকে; দু বছরে ছোট্ট জিয়াকে একটি এমবুলেন্স বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো; মধ্যপ্রদেশের ধরয়ে। শ্বাসকষ্টে ছটফট করা ছোট্টমেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। ছোট্ট জিয়া হাসপাতাল পৌছতে পারেনি। কারণ এবুলেন্সে যে অক্সিজেন সিলিন্ডারটির জিয়াকে শ্বাস যোগাবার কথা ছিলো; সেটি আচমকা ভাড়ার-শূন্য হয়ে পড়ে। অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হওয়ায়, জিয়া শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়। (খবরটি এইখানে)

এবার আমাদের লজ্জা ঢেকে ফেলবার সময়  আমাদের লজ্জাকে ঢেকে ফেলি।আসুন দোস্তলোগআমরাএই মহান দেশের সহ-নাগরিকরা; উটপাখির সহজ পাগলামীতে মুখ ঢাকি বালির গর্ত্তে।
আসুন, আমরা যারা লজ্জা ঢেকে ফেলে লজ্জা খতম করতে চাই; তারা আরো একটু ভালো থাকি।     
  
  

Thursday, January 3, 2013

সিংহ

মন দিয়ে কম্পিউটারে হিসেব করে চলেছিপৃথিবী ভ্যানিস হয়ে গ্যাছে চোখের সামনে থেকেশুধু মাইক্রোসফ্ট-এক্সেলের কারিকুরি আর কী-বোর্ডে আঙ্গুলের খট খটমুণ্ডু স্থির-শুধু চোখের এপাশ-ওপাশতিরিং-তিরিং করে এক স্প্রেডসীট থেকে অন্যতে ছুটে চলেছে কারসর, ফর্মুলার ভেলকি ছুটছে সমস্ত এক্সেলিও খোপেমগজ মনসংযোগের চোটে অবশ হয়ে আসছে। আমি অর্জুন, ওই এক্সেল ফাইল আমার পাখির চোখ! উত্তেজনা।

এ সব সময়ে,এই প্রবল নিরবিচ্ছিন্ন ফোকাস কে এদিক হতে দেওয়া যায় না।

চাপরাসি চা নিয়ে এলো – “ সাহাব, চায়”
আমি তো আগুন : “চায় চায় করে উদ্ধার করেগা ? দেখতা নাহি ব্যস্ত হ্যায় ? ভাগ”

পিওন ফাইল নিয়ে এলো – “ একটা সই দরকার ছিলো স্যার”
ডিসগাস্টিং। “ এইটাই তোমার সময় হলো ফাইল আনার ? ইউসলেস ফেলো কোথাকার!”

হেড-ক্লার্ক একটা প্রশ্ন নিয়ে এলো – “ মুখার্জীদা, এই স্টেটমেন্ট একটু আবার দেখুন তো...”
অসহ্য। গর্জে উঠতে হলো “ আচ্ছা আমি কী একটু যত্ন করে কাজ করতে পারবো না ?কিসের স্টেটমেন্ট ? নাউ ইজ নট দ্য টাইম!”

সহকর্মী এক গাল হেসে উঁকি দিয়ে গেলেন – “ কী ব্যাপার হে, ভারী ব্যস্তবিশেষ কিছু ?”
মাথায় বিস্ফোরণ; “ হ্যাঁ, বিশেষ কিছু বলতে আমার চোদ্দ পুরুষের শ্রাদ্ধ। আর কিছু?”

বউয়ের ফোন-ডাক বেজে উঠলো মোবাইলেবিরক্তি নিয়ে ফোন তুলে বললাম “ অফিসে আমি কতটা ব্যস্ত জানো ?এরকম সময়ে অসময়ে আমার বিরক্ত করতে কতবার বারণ করেছি হ্যাঁ? যত্তসব!”


কাজের হালুয়া পাকাতে এরপর এলেন অন্য কেউনীহারিকা, সদ্যাগতা সহকর্মীতন্বী, আধুনিকা, পশ্চিম পোশাকের উন্মুক্ত-তম মতবাদে বিশ্বাসী , মায়াবী স্কচ-মার্কা কণ্ঠস্বর; এক মুঠো সবুজ হাওয়া, এক পশলা বৃষ্টি
নীহারিকা কেরোসিনে-দেশলাই কন্ঠে বললে “ মিস্টার মুখার্জী, আপনি কী খুব ব্যস্ত ?আসলে আমার মোবাইলটা হাত থেকে পড়ে দিয়ে টেবিলের তলায় ঢুকে গ্যাছে, আমার স্কার্ট কী ভীষণ টাইট কী বলবো, কিছুতেই নিচু হতে পারছি না। পিওনটাও যে কোথায় গ্যালো দেখতে পারছি নাপ্লিজ আমার ফোন টা বের করতে হেল্প করুন না। করুন না। প্লিজ”

কম্পিউটার থেকে চোখ তুললামমাথায় হালকা ঝিম-ঝিম

মুখ দিয়ে সরাত্‍ ভাষা  বেরিয়ে এলো; “ ব্যস্ত ? আরে না না, একদম না। তা ছাড়া সব সময় কী অমন কাজ কাজ করে অবসেসড থাকলে চলে ? মোটেই নাপ্লিজ আপনি চিন্তা করবেন নাকই দেখি কোথায় গ্যালো আপনার বেলেল্লা মোবাইল”

বলে প্রায় হাফ-দৌড়ে নীহারিকার টেবিলের কাছে গিয়ে সটান সেধিয়ে গেলাম তার টেবিলের নীচে



Tuesday, January 1, 2013

বলো দেখি কত দূরে যাবে



বসে বসে গাইছিলেনগানটা শেষ হতেই, গীটারটা কাঁধে ঝুলিয়ে দাঁড়ালেন। গীটারে একটা টুঙ দিয়েই মিচকি হাসি দিলেন। সম্ভবত গীটারটার প্রতিতারপর, সপাট চাইলেন সামনের অন্ধকারে ঢেকে থাকা দর্শক আসনের মুখগুলোর দিকে। ওই মুখগুলি দেখতে হয়তো সুমনের বাহির-বাতির দরকার তেমনটা হয় না।

মিচকি হাসিটা আলতো প্রসারিত করেই গলা ছাড়লেন : “ ছেড়েছো তো অনেক কিছু পুরনো অভ্যেস...”
ঠিক যেন এতক্ষন তাঁর আর দর্শকদের মধ্যে মুষ্টিযুদ্ধ চলছিলো; বহুক্ষণ সেটা চলায় তিনি ক্লান্ত হয়ে পকেট থেকে রিভলভার বার করে দড়াম করে ফায়ার করলেন।

মুখে গেয়ে চললেন, “অসুখ বিসুখ হওয়ার পরে জিলিপি সন্দেশ...”। দৃষ্টিতে তিনি খেলে ক্ষতমের ভাষায় বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, “ কেমন, দেখলে তো ? তোমাদের সব কটা হৃদয়কে এক ধাক্কায় অবশ করে দেওয়া আমার বাঁয়ে হাত কা খেল ? দেখলে তো ?”

উপচে পড়লো পরিচিত গান;
“ছেড়েছো তো অনেক কিছুই পুরনো বোল-চাল
পুরনো ঘর পুরনো ঘর কুড়োনো জঞ্জাল
হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে
দেখা হবে তোমায় আমায়.......”

না:, “অন্য গানের ভোরে” তিনি গাইলেন না। গাইলেন না
থামলেন। ফের মিচকি হাসি।  

গান থামিয়ে, সুমন বলে চললেন:
“ জানেন, একটা জিনিষ না থাকলে, আমাদের কিচ্ছুটি হবে না, কিচ্ছুটি না। সেই ব্যাপারটা না থাকলে আমার আপনার কোনওদিন কিছু হবে নাসেইটা না থাকলে কোনও ব্রাদার-ইন-লয়ের ক্ষমতা নেই আমাদের জন্যে ভালো কিছু করে
ওই একটি ব্যাপার থাকলে সমস্ত সুন্দর হয়ে যাবে। কিন্তু ওইটি না থাকলে যে কিস্যুটি নেইবলুন তো কোন জিনিষ সেটা ?
ভালোবাসা, ভালোবাসা না থাকলে আমাদের কোনওদিন কিস্যুটি হবে না, আপনারা এটা নিশ্চিত জানবেন বন্ধুরা; ভালোবাসা ছাড়া আমাদের কোনও গতি নেই, আমাদের কোনও উপায় নেই। ভালোবাসুন বন্ধুরা, ভালোবাসুন

আমার সামনের দুটি দর্শকাসনে বসে থাকা এক বৃদ্ধ দম্পতি; ঠিক সেই মুহূর্তে বৃদ্ধার মাথাটি অলস ভাবে বৃদ্ধের কাঁধে নেমে এলো।

সুমন গাইলেন:

“হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে
দেখা হবে তোমায় আমায় ভালোবাসার ভোরে”


( ছবিটি "কবীর সুমন লিরিক্স"য়ের সৌজন্যে )