চুমুতে রইলো আকস্মিকতা। রইলো চলকে ওঠা হুইস্কি গেলাসের মিচকে হাসি, ছাদের গন্ধ, মাথা ঝিমঝিম, ঠোঁট-বুক-হাত ত্রাহ্য-স্পর্শের পেলব বিস্ফোরণ। ফার্স্ট-ইয়ারের বেমক্কা দু জোড়া ঠোঁটের কলম্বাস-হিউয়েন সাং জুটি বনে ওঠা। চার পাশের বিশ্ব-যুদ্ধ বাস্প হয়ে উড়ে যায়, থকথকে বুক-জোড়া পড়ে থাকে। খেজুর রসের হাঁড়ির মত সুর জমে ওঠে চুমুর ভেজা-ভেজা আবেশে। পৃথিবী লেংচে চলে। চুমুর পালা শেষ হলেই অক্সিজেন খতম হয়ে যাবে দুনিয়া থেকে; এমন ভয় জুড়ে থাকে নলবন, দত্ত-বাড়ির পুকুর-ঘাট, মন্টুদের চিলেকোঠা এবং অন্য প্রতিটি পাঁজর-তীর্থে
।
।
চুমু সেদ্ধ হতে হতে নরম হয়ে এলে চিবুতে সুবিধে হয়। ঠোঁট-জোড়ার তেজ কমে আসে; ঝলক আবছা হয়ে আসে অভ্যস্ত আলাপে। এক বেরসিক ইশ্বর চুমুতে গুঁজে দেন পরিচিতি। পরিচিতির সঙ্গে সঙ্গে ঠোঁট জুড়ে নেমে আসে স্নেহ, যেই স্নেহ বার বার শুধু এক হাঁড়ি ভাতের মত মনে করিয়ে দেয়।
"একে অপরকে জাপটে ধরে ভালো রাখা, এক সাথে ভালো থাকা - এইটুকুই তো"।
কখন যে ঠোঁট-পাগলামিতে সাথে স্নেহ মিশে যায় এবং শ্রীমান চুমু নিজের নাম পাল্টে হামি বনে যায়; মানব-মানবী তার হিসেব রাখতে পারেন না।

No comments:
Post a Comment