Tuesday, September 27, 2011

দুর্গা পুজো খাদ্য নির্ঘন্ট


সপ্তমী :
সকাল ৭ ঘটিকা – লুচি + ছোলার ডাল নারকোল দিয়ে + বেগুন ভাজা + ভীম নাগ সন্দেশ
বেলা ১১ ঘটিকা - দেবী প্রসাদ (চাল-কলা, শসা, আপেল ইত্যাদি) + কোকা-কোলা
দ্বিপ্রহর ২ ঘটিকা - নুন, লেবু, ভাত, বেগুনী, ঝুড়ি আলু ভাজা, সোনা মুগের ডাল, মাছের মাথা দিয়ে বাঁধা কপির তরকারী, রুই মাছের কালীয়া, মৌরলা মাছের ঝোল, খেজুরের চাটনি, ছানার পায়েস
বৈকাল ৫ ঘটিকা - লেবুর সরবত
সন্ধ্যে ৬ ঘটিকা - পাঁঠার ঘুগনি, ঘটি-গরম চানাচুর মিশ্রণ, দই-ফুচকা + ঠান্ডা পানীয়
রাত্রি ১০ ঘটিকা - রকমারি কাবাব, মুর্গ-মুসল্লাম, মাটন বিরিয়ানী, ফির্নি, কে সি দাসের রসগোল্লা, মিষ্টি পান


অষ্টমী :

বেলা ১০ ঘটিকা - অঞ্জলি-ক্রিয়া সমাপনে; রাধা বল্লভী, আলুর দম, জিলিপি, চন্দননগরের জল-ভরা সন্দেশ
দ্বিপ্রহর ২:৩০ ঘটিকা - লেবু, নুন, ভেটকী ফ্রাই, কাজু-কিশমিশ পোলাও, কষা মাংস, চাটনি,পাঁপড়, চমচম।
সন্ধ্যে ৬ ঘটিকা - আলু-কাবলী, ফিশ-চপ, পেয়াঁজী, মটন-কাটলেট। ডাব-সরবত
রাত্রি ১০ ঘটিকা - অষ্টমী-পুজোর প্রসাদ-ভোগ: নারকোল-বাদাম মেশানো শুকনো খিচুড়ি,আলু ভাজা, ফুল-কপি ভাজা, বরবটি ভাজা, কুমড়ো ভাজা, বাঁধা কপির নিরামিষ তরকারী, আলু-পটলের তরকারী, চাটনি, রসগোল্লা, নারকোলের সন্দেশ
নবমী :
সকাল ৭ ঘটিকা - লুচি, আলু ভাজা, মোহনভোগ, সিমুই-পায়েস,মিহি দানা
বেলা ১১ ঘটিকা - দেবী প্রসাদ (চাল-কলা, শসা, আপেল ইত্যাদি) + কোকা-কোলা
দ্বিপ্রহর ২ ঘটিকা -চিকেন ললিপপ, স্প্রিং-রোল,চিকেন শেজয়ান, মিক্সড ফ্রায়েড রাইস, আইস-ক্রীম
বৈকাল চার ঘটিকা -পাড়া-ব্যাপী ফুচকা-ভক্ষণ প্রতিযোগিতা।
সন্ধ্যে ৭ ঘটিকা -ডাবল এগ-ডাবল মটন-রোল, চিংড়ি-চপ, চিকেন আফগানি কাটলেট, কোকা-কোলা
রাত্রি ১১ ঘটিকা -বঙ্গ-রুচির মোগলাই পরোটা, আলুর তরকারী সহ, মটন রেজালা, লিমকা
দশমী:
সকাল ৭ ঘটিকা -হিংএর কচুরী, ছোলার ডাল, ঝাল-মিষ্টি আলুর তরকারী, ল্যাংচা, সন্দেশ
দ্বিপ্রহর ১ ঘটিকা -নুন, লেবু, কুমড়ো ফুলের চপ,মুসুরির ড়ালের বড়া, বেগুন ভাজা, ফুলকপির রোস্ট, মাছের মাথা দিয়ে মুগের ডাল, তোপ্সে ফ্রাই, পটলের দোরমা,মোচার ঘণ্ট, কাঁকড়া মাছের ঝোল, খাসির মাংস, চাটনি, ছানার পায়েস
বৈকাল ৫ ঘটিকা - সিদ্ধি প্রস্তুতি পর্ব এবং সিদ্ধি পান। সন্দেশ, লেডিকেনি, কিশমিশ সহযোগে
রাত্রি ৯ ঘটিকা - বিসর্জনত্তর গুঁজিয়া এবং নারকোল নাড়ু ভক্ষণ।
রাত্রি ১১ ঘটিকা - নারকোল দেওয়া ঘুগনি, নিমকি, নারকোল নাড়ু, নিমকি, মাখা-সন্দেশ, ক্ষীরের সন্দেশ, পায়েস।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
“উক্ত দিন গুলোতে, জেলুসিল পকেটে সদা-প্রস্তুত না রাখা, বাঙ্গালিয়ানার নিরিখে একান্তই আহাম্মকি”

Monday, September 26, 2011

মহালয়া কান্ড

মহালয়া মানেই বাঙালির হাড়-গোড়ে কাঁপণ। আধুনিক বাঙালি আর কাশ-শিউলি-নীল আকাশে পুজো পুজো সিগন্যাল খোঁজে না।কলকেতিয়ে বঙ্গ-সন্তান হলে তো কথাই নেই। ট্র্যাফিক বাতির লাল-সবুজ, ট্যাক্সির হলুদ আর রাইটার্সএর লাল বাদে কলকাতার পাবলিক রঙ চেনে না।
বাঙালি এখন পুজোর হাওয়া চিনতে পারে পাড়ার দাদাদের চাঁদা তোলার হিড়িকে, ক্যালেণ্ডারের তারিখে, পূজা বার্ষিকীতে তথা পণ্য-বাজারের দুর্গা পূজা ধামাকা ডিসকাউন্ট অফার থেকে। আর এই পুজো-আনন্দ ছলকে ওঠে মহালয়া থেকে। ভোর রাত্রে বীরেন ভদ্রের প্যাঁপর যেই না বাজল অমনি বাঙালির গায়ে কাঁটা!
নিষ্ঠাবান বাঙালি মাত্রই ভোর ছটা থেকে দূরদর্শনের সামনে বসবেন কফি বা চা হাতে, সঙ্গে চানাচুর, নিমকি। নিষ্ঠা যদি অতিমাত্রায় জাগে তবে তিনি ভোর পাঁচটা থেকে শুনবেন আকাশবানীএবং পনেরো মিনিটে চা-টা হজম করে বসে বসে ঢুলবেনবীরেন্দ্র ভদ্র থকে গিয়ে ক্ষান্ত হলে, বাবু জেগে উঠবেন আহ! সাচ এ পীওর ট্র্যাডিশন’, বলে চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুম চালিয়ে যাবেন
-পূজা ইজ হিয়ার মায় বয়, লিসেন টু দ্য ম্যাজিকাল ভয়েস অফ ভিরেন্দ্রা কৃষ্ন্যা ভ্যাদ্রা”, সাউথ সিটির ৩৬ তলার পিতা তার পুত্রকে হেচড়ে তোলেন ভোর বেলা


-বাবা প্লিজ, ওই মহালয়ার রেকর্ডিং এম পি থ্রী ফরম্যাটে আমাদের পি-সি তে আছে, পরে উঠে শুনে নেব, এখন লেট মি স্লীপ, প্লিজ”, পুত্র ঘোর যুক্তি-বাদী।
-নন সেন্স, এম-পী-থ্রী তে মহালয়া? তেমন মহালয়ার মাথায় আগুন,আই মিন, ড্যাম দ্যাট কাইণ্ড অফ মহালয়া। ভোরের কুল ব্রীজ কুল-কুল করে স্কিনে লাগবে, ভ্যাদ্রার এনচ্যান্টিংগ ভয়েস ইয়ার ড্রাম বেয়ে রিব-কেজে নেমে আসবে, অনলি দেন ইউ উইল ফিল দ্য এসেন্স অফ মহালয়া মায় সন”, বলে পিতা পুত্রের হাত ধরে মারলেন আরেকটা মোক্ষম টান।
-বাবা, হোয়াট আর ইউ ডুইং?তুমি আরেকবার আমায় ডিসটার্ব করলে আমি মা কে কম্পলেইন করে দেব কিন্তু”, পুত্র আলটিমেটাম ঝাড়ে।
-কি বল্লি ব্যাটাচ্ছেলে? মা কে বলবি?চ্যাংদোলা করে আই উইল গিভ ইউ আড়ং-ধোলাই”, কিছুক্ষণ আগেই নিজের স্ত্রী কে ভসভসিয়ে ঘুমতে দেখেছিলেন, তাই পিতা বেশ সাহস করে পুত্র কে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন। মহালয়ার সকাল তো আর আপন পুত্রের থেকে ধমকি শুনে শুরু করা যায় নাকিন্তু সেই সাহসটাই হলো কাল
পত্নী দড়াম শব্দে জেগে উঠলেন: অনেকক্ষণ তোমার নন-সেন্স বিয়ার করেছি, মহালয়া-মহালয়া করে সেই ভোর পাঁচটা থেকে ধেই ধেই শুরু করেছো। তুমি জানো না সকাল সাতটা থেকে আমার য়োগা ক্লাস আর বিল্টুর ক্রিকেট কোচিং? সবার ঘুম নষ্ট করো কোন সাহসে তুমি? তোমাকে কি লোকে রাসটিক সাধে বলে?মহালয়া শুনতে হলে রেডিও হাতে ছাতে চলে যাও, যত্তসব!”
ধীর পায়ে পিতা ওরফে বিশিষ্ট এম.এন.সি.র এম.ডি. সাহেব ইন্দ্রজিত রায়, চোরের মত চুপি চুপি রেডিও হাতে ছাতে উঠে আসেন। ওপরে এসেই দ্যাখেন সেখানে ৩৯ তলার বিপিনবাবুও রেডিও হাতে বসে।
ইন্দ্রবাবুকে দেখতে পেয়েই বিপিনবাবু বললেন, ইয়ে, মানে বীরেন্দ্রকৃষ্ণর গলা ময়াই খোলা হাওয়া ছাড়া ঠিক খোলতাই হয় না
-“তা ঠিক”, বিপিনবাবুর পাশে থেবড়ে বসে বললেন ইন্দ্রজিত, “আচ্ছা বিপিনবাবু, আপনার স্ত্রীও বোধ হয় আমার স্ত্রীর সাথে য়োগা ক্লাসে যান রোজ, তাই না? আর আপনার ছেলেও তো বোধ হয় বিল্টুর সঙ্গে ক্রিকেট কোচিংএ যায়? রোজ সকাল সাতটা থেকে, তাই না?”
পাশে পেটো ফাটলেও বোধ হয় এতটা চমকে উঠলেন বিপিনবাবু, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, ইয়ে মানে, কেনো বলুন তো?”
-“না এমনি!” বিষন্ন হেসে মহালয়ার আকাশে ফোকাস করলেন ইন্দ্রবাবু।

Saturday, September 24, 2011

শুদ্ধ বাংলা বিশুদ্ধ বাংলা


প্রশ্ন: শুদ্ধ কি প্রকারে শুদ্ধতর হয় ? বাহ্যিক পরিবর্তন ছাড়াও সমূহ ব্যবহারিক পরিবর্তন কি ভাবে সম্ভব? দশটি উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা করো
উত্তর: শুদ্ধ হতে শুদ্ধতর হওয়া এবং বাহ্যিক পরিবর্তন ছাড়া ব্যবহারিক পরিবর্তনের যে পদ্ধতিটি, তার উত্তম প্রয়োগ-দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পারি আমাদেরই আপন মাতৃভাষায়
অতএব, বঙ্গ-ভান্ডার চষে দশ খানি বিবিধ-রতন নীচে লিপি-বদ্ধ করা হলো:
শব্দ ১- ব্যাপক:
প্রাচীন ব্যবহার : কলিকাতা শহরে ওলাউঠার প্রাদুর্ভাবে ব্যাপক হারে মানুষ মরিতে লাগিলো
আধুনিক ব্যবহার: ব্যাপক মেয়ে, সাধু ভাষায় যাকে বলে ডানা লেস পরি
শব্দ ২- আগুন:
প্রাচীন ব্যবহার : এত বেলা হয়ে গ্যাল এখনো উনুনে আগুন পড়ল না রে মুখপুড়ির দল?”
আধুনিক ব্যবহার: হোয়াট আ কভার ড্রাইভ, আগুন শট, জিও দাদা
শব্দ ৩- গুরু:
প্রাচীন ব্যবহার : তুমি গুরু তুমি রাম, তুমি ভগবান, তোমারি লগিয়া তাই কাঁদে মোর প্রাণ
আধুনিক ব্যবহার : ভ্যানতারা না মেরে একটা সিগারেট দাও দেখি গুরু


শব্দ ৪- প্রেম:

প্রাচীন ব্যবহার: যদি প্রেম দিলে না প্রাণে...
আধুনিক ব্যবহার: আরে এ কোনও কঠিন কাজই নয়, প্রেমসে হয়ে যাবে
শব্দ ৫- পাগলা:
প্রাচীন ব্যবহার: “ পাগলা ভাই আমার, তুই ভারী দুষ্টু হয়েছিস আজকাল”
আধুনিক ব্যবহার: “ পাগলা চূলকে নে”
শব্দ ৬- বোকা
প্রাচীন ব্যবহার: “এই সহজ ব্যাপারটা বুঝলে না, তুমি তো আচ্ছা বোকা হে?”
আধুনিক ব্যবহার: এই পাতি ব্যাপারটা বুঝলে না, তুমি তো আচ্ছা বোকা#$ হে?”
শব্দ ৭- বাংলা
প্রাচীন ব্যবহার: বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান…. ইত্যাদি ইত্যাদি”
আধুনিক ব্যবহার: “মৌত হোগা তো একলা / মদ হোগা তো বাংলা
শব্দ ৮- মাল
প্রাচীন ব্যবহার: “মাল-পত্তর গুলো সব ঠিক-ঠাক গুছিয়ে নিও বাবাজী, কেমন?”
আধুনিক ব্যবহার: “উফ্ফ, কি মাল মাইরি, এক পলকেই ক্যাপচার করে নিয়েছি ৩৬-৩২-৩৬”
শব্দ ৯- তোলা
প্রাচীন ব্যবহার: এই বয়েসে এতটা দায়িত্ব কাঁধে তোলা কি চাট্টি-খানি কথা”
আধুনিক ব্যবহার: “এই বয়সে এত গুলো মেয়ে তোলা কি চাট্টি খানি কথা”
শব্দ ১০- ছড়ানো
প্রাচীন ব্যবহার: “ দানা ছড়িয়ে দিন, দেখবেন খুঁটে খাওয়ার লোকের অভাব হবে না”
আধুনিক ব্যবহার: “ তখন থেকে কি গ্যাঁজ-গপ্প করে যাচ্ছো? ছড়ানো বন্ধ করো”

Friday, September 23, 2011

'তন্ময় মুখো'


২০০২।কলকাতা তখন কলেজে, থাকছি কলেজ স্ট্রীটের কাছে সীতারাম ঘোষ স্ট্রীটের এক মেস-বাড়িতেআমার তখনকার এপিক-আলস্যে ভরা জিন্দেগি নিয়ে, আমার সহ-মেসি বন্ধু, বর্তমানে বাংলা কবিতার একটা কংক্রিটে-নাম,অনিমিখ পাত্র, ওরফে আমাদের মেসের সার্বজনীন কবি’; হুট করে একটা ছড়া কষেছিল
আমার মত উলু-খাগড়ার যদি জীবনী হত, তবে এই ছড়াটাই হত উজ্জ্বলতম চ্যাপটার

****
"এটা মুখার্জি তন্ময়ের এককালের রোজনামচা, তার সৌজন্যেই আমার এ নশ্বর জীবনে শ্রেষ্ঠতম আলস্য দেখা হলো" - অনিমিখ পাত্র



ম্যাদামারা হয়ে থাকে তন্ময় মুখো
দুঃখও কিছু নেই,নেই কোনো সুখও
বিকেলেতে হাফ-প্লেট চাউমিন খায়
তারপর গুটিশুটি টিউশনি যায়
ফিরে এসে বিছানায় ফ্ল্যাট হয়ে পড়ে
মুখে ফুলঝুরি তবু হাত পা না নড়ে
ঘন ঘন ঘড়িটার দিকে সে তাকায়
কখন যে মাসি খেতে ডাকবে গো হায়!
খেয়েদেয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা চলে
তখন কেবল সে তো শা'রুখের দলে
বই খুলে বসলেই তার ঘুম পায়
'অনেক তো পড়লাম',বলে সে ঘুমায়...”

টেলি-ভীষণ

টিভি দ্যাখা ব্যাপারটাকে মোটামুটি একটা ইণ্ডাস্ট্রিয়াল প্রসেসে নিয়ে এসেছিরীতিমত ঘাম ঝরিয়ে, মেরুদন্ড মচকিয়ে তবে আমার টিভির নাগাল পাওয়া যায়
প্রথমত, টিভির প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা
দ্বিতীয়ত, স্যাটেলাইট সেট টপ বক্সএর প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা
তৃতীয়ত, অতিরিক্ত সাউন্ড বক্সএর প্লাগ লাগিয়ে সুইচ অন করা।(পুওর ম্যানস হোম থিয়েটার)

চতুর্থত
, টিভির মূল বোতামটি টিপে যন্ত্রটিকে মন্ত্র-চালিত করা।
পঞ্চমত, টিভির রিমোট টিপে টিভি কে প্র্জ্জ্বল করে দেওয়া।


ষষ্ঠত
, স্যাটেলাইট সেট-টপ বক্সের রিমোট টিপে সেট-টপ বক্সটিকে চালু করা।

সপ্তমত, অতিরক্ত সাউন্ড-বক্স যে মিউজিক সিস্টেমে জড়িত, অনন্য রিমোট দিয়ে তাকে চালানো।
ভাবলেন টিভি চালু?
হ্যাঁ এবং না।
যন্তরটা চালু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু যাকে চাই সেই চ্যানেলটি এত সহজে তো ধরা দেবে না!
২০০এর ওপর চ্যানেল সংখ্যা, যার মধ্যে থেকে বড়জোর খান চার-এক আপনার প্রয়োজন।
অতএব?
বুফে ডিনারে গিয়ে ড্যাব-ড্যাবে চোখে মেনু ড্যাখার মত, ডিশ-টিভি খামচা-খামচি করে দেখুন আপনি কোন পথের পথিক, সিনেমা? প্রাদেশিক? সংবাদ? সঙ্গীত? মেনু-তস্য মেনু-তস্য তস্য মেনু পেরিয়ে, রাজ্য জয় করে তবে গিয়ে পৌছবেন গন্তব্যে, কাঙ্খিত চ্যানেলটিতে।
রোজ সকালে জলখাবার নিয়ে বসে সায়েবি মেজাজে বৌকে বলি ন্যুজ চ্যানেল টা অন করো তো, দেখো, আবার বেঙ্গলী ন্যুজ চ্যানেলে চালিয়ে দিও না
সমস্ত বাঁধ ভেঙ্গে যখন বৌ টিভিটা অবশেষে চালু করে হেসে আমার দিকে ফেরে, ততক্ষণে আমার জলখাবার সম্পূর্ণ ভাবে উদরস্থ এবং আমার ব্যাজার মুখে ঘোষণা করায়, ‘দরজা বন্ধ করে দিও, অফিস চললাম